Articles by "Make Money Online"

অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। এর একটি ব্লগিং। তবে ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রেও আয়ের কয়েকটি উপায় রয়েছে। তবে সেগুলোর স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা, মান সর্বোপরি যথাযথ মাধ্যম খুঁজে পাওয়া নতুন ব্লগারদের জন্য অনেকটা কষ্টকর বটে। এই পোস্টটিতে আমি নতুন ব্লগারদের জন্য জনপ্রিয় ৫টি আয়ের মাধ্যম নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছি। আমি নিজেই এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে থাকি এবং আয়ের পরিমানও যথেষ্ঠ ভালো। আশাকরী পরবর্তী পোস্টে এগুলো আলাদা ও বিশদভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারবো।

১. গুগল অ্যাডসেন্স: 


ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে আয়ের সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হলো গুগল অ্যাডসেন্স। এটি সহজ ও জনপ্রিয় এই কারণে যে, আপনি আরপনা ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য গুগলে অ্যাডসেন্সের জন্য শুধু আবেদন করলেই হবে। আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাকটিভ হলে গুগলের দেওয়া কোড আপনার ওয়েব বা ব্লগে যথাস্থানে বসিয়ে দিলেই হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে।

এটি সহজ ও জনপ্রিয় হওয়ার আরেক কারণ হলো গুগল অ্যাডসেন্স তার কার্যক্রমে অশপট। গুগল প্রথমে আপনার ব্লগ বা ওয়েবের প্রতিটি লিংকে গিয়ে ক্রল করে এবং প্রাসঙ্গিক বা রিলিভ্যান্ট কি ওয়ার্ড খুঁজে বের করে। তারপর আপনার রিলিভ্যান্ট কিওয়ার্ডের সাথে সমন্বয় রেখে একই ধরণের বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করে। গুগলের কাছে সকল অ্যাডভারটাইজারদের সর্বশেষ ডাটাবেজ সংরক্ষিত থাকে। একারণে প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে চললে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যখন আপনার পোস্টের রিলিভ্যান্ট কিওয়ার্ডের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়, তখন ভিজিটর এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার সম্ভাবনা বেশি। গুগল অ্যাডসেন্স হলো পে পার ক্লিক সিস্টেম, তাই যখনই কেউ আপনার ব্লগে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে, আপনি গুগল থেকে একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান অর্থ আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে কখন গুগল অ্যাডসেন্সের টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন বা নীতিমালা অমান্য করবেন না। যেমন- নিজে নিজের কম্পিউটার থেকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না বা আপনার বন্ধুদের ক্লিক করতে উৎসাহিত করবেন না। তাহলে আপনার গুগল অ্যাডসেন্সটি বাতিল হতে পারে। অ্যাডসেন্স সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি পোস্ট পড়ার জন্য এই লিংকে ক্লিক করে অথবা ক্যাটাগরি থেকে অ্যাডসেন্স ক্যাটাগরি ক্লিক করতে পারেন।

২. ডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজমেন্ট: ব্যানার অ্যাড


যদি আপনার ট্রাফিক অনেক বেশি হয়, তাহলে আপনি আপনার ব্লগে সরাসরি ব্যানার বিজ্ঞাপন বসিয়ে ভালো আয় করতে পারেন। আপনার ভিজিটর যত বাড়বে, আপনার অ্যাডভারটাইজার অর্থাৎ যে আপনাকে বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন, তিনি আপনাকে বেশি পে করতে উৎসাহিত হবেন। এক্ষেত্রে আপনি ব্যানার বিজ্ঞাপনের জন্য কত টাকা নিবেন সেটি আপনার উপর নির্ভর করবে। সাধারণত একটি ব্লগে ২৫০ বাই ২৫০ পিক্সেল এর ব্যানার অ্যাডের জন্য প্রতি মাসে ৫০ ডলার পাওয়া যেতে পারেন, এটি মোটেই খারাপ নয়। যেসব ব্লগের ট্রাফিক অপেক্ষাকৃত বেশি তারা এর থেকে বেশি চার্জ নির্ধারণ করতে পারেন।

ডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো এক্ষেত্রে আপনাকে নিজে বিজ্ঞাপন খুঁেজ পেতে হবে। আপনাকে তাদের কাছে আপনার ব্লগে তারা বিজ্ঞাপন দিলে কি কি সুবিধা পাবে এসব নিয়ে একটি প্রোপোজাল লেটার পাঠাতে হবে। আমি নিজেই আমার ব্লগে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শরনাপন্ন হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অল্পসংখ্যক আমার প্রস্তাবে রাজি হয়েছে। তবে আপনার ব্লগটি যদি জনপ্রিয় হয়, আপনি ভালো ট্রাফিক পান তাহলে আপনার ব্লগে ‘‘Advertise Here’’ লিংকটি হোমপেজে রাখতে পারেন। যদি কোনো অ্যাডভারটাইজার রাজি তাহলে তারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

৩. ফিচার্রড ব্লগ পোস্ট


একজন ব্লগার হিসেবে অনলাইনে আয়ের একটি অন্যতম মাধ্যম ফিচার্রড ব্লগ পোস্ট। এক্ষেত্রে একজন বিজ্ঞাপনদাতা তার পণ্য বা সেবার বিষয়ে একটি নিশ ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারেন। এক্ষেত্রে তার পণ্য বা সেবার প্রসার বেশি ও কার্যকর হয়। এছাড়া পাবলিশার এখান থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পেতে পারেন। ফলে প্রত্যক্ষভাবেই আপনি লাভবান হবেন।

বিষয়টি যদি ভালোভাবে না বুঝেন, তাইলে একটু খুলে বলি। ধরেন, আপনি একটি নিদ্দিষ্ট বিষয় নিয়ে যেমন ডোমেইন বিক্রি ও  ওয়েব হোস্টিং নিয়ে লিখছেন। এক্ষেত্রে আপনার কোনো পোস্টে ডোমেইন ও হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তাদের নাম রেফার করার জন্য বলতে পারে। অথবা তাদের কাছ থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং নিলে কি কি সেবা পাওয়া যাবে সেটি নিয়ে লিখতে পারেন। এক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠানটি আপনার পোস্টের জন্য আপনাকে পে করবে। সাধারণত একটি ব্লগে প্রতিটি ফিচারর্ড পোস্টের জন্য ২৫ ডলার চার্জ পাওয়া যেতে পারে। অনেকে ফিচারর্ড পোস্টের সাথে ব্যানার অ্যাডও দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অ্যাডভারটাইজার খুঁজতে হলে ডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজমেন্টের মতো একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইটকে ফিচারর্ড পোস্টের সুবিধাগুলোসহ প্রোপ্রোজাল পাঠাতে পারেন।

৪. ব্যাকলিংক বিক্রি


ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাইটের পেজর‌্যাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। একটি ওয়েবসাইটের কোন পৃষ্ঠায় যদি অন্য একটি সাইটের লিংক থাকে তাহলে দ্বিতীয় সাইটের জন্য এই লিংককে বলা হয় ব্যাকলিংক বা ইনকামিং লিংক। আর প্রথম সাইটের জন্য এই লিংকটি হচ্ছে আউটগোয়িং লিংক, অর্থাৎ এই লিংকে ক্লিক করে ব্যবহারকারী দ্বিতীয় সাইটে চলে যাবে। এইভাবে একটি ওয়েবসাইটের যত বেশি ব্যাকলিংক থাকবে সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারী আসার প্রবণতা বেড়ে যাবে। পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের রোবট প্রোগ্রাম সেই সাইটকে খুব সহজেই খুঁজে পাবে। এজন্য অনেক ওয়েব পাবলিশাররা তার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ব্লগসাইটের শরণাপন্ন হন।

আপনার ব্লগটি জনপ্রিয় হলে আপনি আপনার সাইটে অন্যসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাইটে পোস্ট করেও ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। এই কাজটি করা যেতে পারে। সাধারণত একটি ব্যাক লিংকের জন্য ২০/২৫ ডলার চার্জ করতে পারেন। এ কাজটি পেতে যারা ব্যাকলিংক পেতে চায় তাদের কাছে আপনাকে একজন কোয়ালিটি রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাদেরকে হাই পিআর ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে, বিশেষ করে একটি নতুন ওয়েবসাইটের জন্য এটা কতোটা আবশ্যকীয় তা জানানো জরুরী।

৫. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং


একজন ব্লগারের জন্য আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অনলাইনে মোট আয়ের বেশিরভাগ রেভিনিউ আসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে। অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে ঠিক এমনই একটি প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট যারা নিজের ওয়েবসাইটে কোন কোম্পানির বিভিন্ন  প্রোডাক্টস অ্যাডস হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে ঐ কোম্পনিকে বিভিন্ন  প্রোডাক্টস অনলাইনে বিক্রয় করে দেয়ার শর্তে কমিশন ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এই সাইট থেকে রেফারেল হয়ে যদি কোম্পানির প্রোডাক্টস কেউ ক্রয় করে তবে কোম্পানির তাদের দেয়া শর্ত অনুযায়ী তাকে (%) কমিশন দিতে বাধ্য থাকে। আর এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন  প্রোডাক্টস নিয়ে অফিলিয়েশন করতে দেখা যায়। যেমন বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্য দিনের প্রোডাক্টস।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এমন পণ্য বা সেবা অ্যাফিলিয়েট করতে হবে যেটির কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো হতে হবে। কারণ যেকোনো পণ্য বা সেবার রেপুটেশন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও টাকা দিয়ে পাওয়া সম্ভবন না। আমি আমার ব্লগে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের অ্যাফিলিয়েট করি। তাই এক্ষেত্রে আমার পছন্দ নিশ সাইটগুলো এবং এগুলো আমার ব্লগে প্রমোট করি। এক্ষেত্রে তারা আমার সাইটের মাধ্যমে মেম্বার পান এবং আমাকে তাদের বিক্রয়ের একটি কমিশন দেন। আপনি বিভিণœ টুলের মাধ্যমে পোডাক্ট রিসার্চ করতে পারেন। যে পণ্য বা সেবাটি নিয়ে অ্যাফিলিয়েট করলে বিক্রয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি অ্যাফিলিয়েটের জন্য বেছে নেওয়া লাভজনক ও ঝুঁকি কম। অ্যাফিলিয়েট নিয়ে আরো জানতে চাইলে ‘ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম’ শিরোনামের পোস্টটি পড়তে পারেন।

এই বিষয়গুলো ছাড়াও আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে যার মাধ্যমে একজন ব্লগার আয় করতে পারেন। সম্ভব ও উৎসাহ সেসব বিষয় নিয়ে লিখবো। পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। শুভ হোক আপনাদের ব্লগিং লাইফ ও ভালো থাকবেন, সেই কামনা।

আঁকা ঝোঁকাতে ঝোক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুঁজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়ুন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না । এটা একটি সন্মানজনক পেশাও।


গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন।

কাজের ক্ষেত্র
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে ইন্টার্যা ক্টিভ মিডিয়া, প্রমোশনাল ডিসপ্লে, জার্নাল, কর্পোরেট রিপোর্টস, মার্কেটিং ব্রোশিউর, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে।



গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রধান বিষয়?
আসলে সত্যি বলতে কি, পেশা হিসেবে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে গেলে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো বিষয় না। এখানে মূলত আপনার কাজের দক্ষতাই প্রধান বিষয়। আপনার ক্রিয়েটিভিটিউ আপনাকে সফলতা উচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে পারে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের প্রত্যাশা মূলত গ্রাফিক্স ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা, ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রি বিষয়টি চান। তবে সব ক্ষেত্রেই তারা কাজের দক্ষতার বিষয়টি আগে গুরুত্ব দেন। তাই আপনাকে আগে কাজের ক্ষেত্রে যোগ্য হতে হবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয়
প্রশ্নই আসতে পারে প্রতি মাসে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয় কত হতে পারে? এ সম্পর্কে ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজ এর মতে, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে ১ লাখ ডলার সেই হিসেবে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লাখ টাকা আয় করতে পারে। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপ্লোমাধারীর বেতন মাসে সাধারণত ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসিক ১ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লোগো ডিজাইন করলে ৫ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে ও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে এটি ৫ হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। ৯৯ডিজাইন’স ডটকম, ফ্রিল্যান্সার কনটেস্ট, ওডেস্কসহ অনেক ওয়েবসাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে আপনি এই কাজগুলো পাবেন। মূলত কাজের মান ও ক্রিয়েটিভি এর উপরই ভিত্তি করে আপনার আয় নির্ভর করবে।

কোথায় শিখবেন?
প্রফেশন হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনকে নিতে অবশ্যই কোনো ভালোমানের ডিজাইনার বা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের অন্যতম পথিকৃত (আই.টি.পারক-যশোর) হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ! আমরা আপনাকে সুপার দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে তৈরি করার লক্ষ্যে ৩-৭ মাসব্যাপি ‘প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন’ প্রশিক্ষণটির আয়োজন করেছি।

কি কি শেখানো হবে?
বর্তমানের বাজার চাহিদা বোঝার জন্য একজন ডিজাইনারকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সফটওয়্যারের ব্যবহার জানা জরুরী। গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করার জন্য কোর গ্রাফিক্স ডিজাইন, টাইপোগ্রাফি, গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার ও টুলের ব্যবহার, মার্কেটট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা ও অনলাইন মার্কেটেপ্লেসে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে তাত্বিক ও ব্যবহারির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।


ফরেক্স ইন্ডিকেটর কি?
ফরেক্স ইন্ডিকেটর হচ্ছে মূলত প্রাইস আপ-ডাউনের একটি চিত্রভিত্তিক নির্দেশনা। ইন্ডিকেটর মার্কেটের পূর্ববর্তী পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে আপনাকে ধারনা দিবে। সহজ কথায়, বর্তমান প্রাইস থেকে পরবর্তী পাইস ডাউন করবে কি আপ হবে সেই নির্দেশনা আপনি ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে পাবেন। সকল ট্রেডার তাদের ট্রেডের টেকনিক্যাল এনালাইসিস করার সময় জনপ্রিয় বেশ কিছু ইন্ডিকেটর এর সাহায্য নেন।

ফরেক্স ইন্ডিকেটর কীভাবে কাজ করে?
কিছু লজিক এর সাহায্যে একটা ইন্ডিকেটর তৈরি করা হয় যার কাজ হচ্ছে ফরেক্স এ প্রাইস কোন দিকে আছে আর কোন দিকে যেতে পারে তার একটা ধারনা দেয়া। টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর জন্য ইন্ডিকেটর একটি বড় এবং মৌলিক হাতিয়ার। মোটামুটি সব ট্রেডাররাই ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে ট্রেড করতে পছন্দ করে। বেশ কিছু শক্তিশালী ইন্ডিকেটর আছে যেগুলো আপনার ট্রেডিংকে অনেক সহজ করে দেবে।

ফরেক্স ইন্ডিকেটর সম্পর্কে কেন জানব?
ফরেক্স ইন্ডিকেটর সম্পর্কে সম্যক ধারনা থাকলে আপনার ফরেক্স ট্রেডিং এ লাভের সম্ভাবনা অনেকগুনে বেড়ে যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশের ট্রেডারদের ফরেক্স সম্পর্কে ধারনা অনেক কম। আমরা অনেক সময় উল্টোপাল্টা ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করে ভুল সিদ্ধান্ত নেই এবং লসের মুখে পরে যাই। অনেক গুলো ইন্ডিকেটর একসাথে ব্যবহার করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ট্রেডে সফল হওয়ার জন্য ৫-৬টি ইন্ডিকেটর সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখলেই হয়। আপনি যদি নতুন ট্রেডার হন তাহলে ট্রেড ওপেন করার সময় ২-৩টি আর ক্লোজ করার সময় ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে জানলেই যথেষ্ট। আপনি নিজেই নিজের পছন্দ মত একটি ইন্ডিকেটরের সেট বা ইন্ডিকেটর প্যাকেজ তৈরি করুন। এতে করে আপনার ট্রেডে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলে এবং সফলতার সাথে ট্রেড করতে পারবেন।

জনপ্রিয় ফরেক্স ইন্ডিকেটর সমুহঃ
আপনি যদি নতুন ট্রেডার হন, তাহলে ট্রেড ওপেন করার জন্য নিচের ইন্ডিকেটর গুলো ব্যবহার করলে ভাল করবেনঃ
• Moving Average (মুভিং এভারেজ)
• Bollinger Band (বলিঙ্গার ব্যান্ড)
• Slow Stochastic (স্লো স্টকেস্টিকস)
নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেড ক্লোজ করার ক্ষেত্রে নিচের ইনডিকেটর গুলো ব্যবহার করা ভালঃ
• Moving Average Convergence & Divergence- MACD (এম.এ.সি.ডি)
• Relative Strength Index- RSI (আর.এস.আই)
• Average Directional Moving Index-ADX (এ.ডি.এক্স)
এই ইন্ডিকেটর সমুহ নিয়ে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত বলব। আজ আসুন আমরা শিখে নেই কীভাবে আপনি ইন্ডিকেটর ওপেন করবেন?


ইন্ডিকেটর যেভাবে ওপেন করতে হবেঃ
• প্রথমে আপনার MT4 ওপেন করুন
• insert >indicators> এ গেলেই indicator list পাবেন
• সেখান থেকে আপনার পছন্দের indicator টিতে click করুন
আপনি option থেকে আপনার পছন্দের indicator টি ব্যবহার করতে পারেন। এখানকার প্রতিটি indicator আলাদা আলাদা ভাবে মার্কেটের অবস্থান প্রকাশ করে। আপনি চাইলে নিজে নিজেও indicator বানাতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে mql ভাষা শিখে নিতে হবে। মার্কেটে অনেক indicator পাবেন তার জন্য আপনি প্রথমে ওই indicator টি download করে তার পর আপনার mt4 software টি যেখানে আছে সেই folder এ গিয়ে সংযুক্ত করা লাগবে।

যেভাবে মেটাট্রেডারে ইন্ডিকেটর যোগ করবেনঃ
• প্রথমে আপনার ইন্ডিকেটরটি কপি করুন। ইন্ডিকেটর সাধারানত mq4, ex4, mq5, ex5 ফরম্যাটে থাকে।
• যেই ফোল্ডারে আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি আছে সেই ফোল্ডারে যান।
• indicators ফোল্ডারে ইন্ডিকেটরটি পেস্ট করুন।
• আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি রিস্টার্ট করুন।
• ইন্ডিকেটরটি আপনার চার্টে যোগ করার জন্য আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যার থেকে Insert > Indicators > Custom. তারপর আপনার ইন্ডিকেটরটি সিলেক্ট করুন।

কোথায় পাবেন ইন্ডিকেটর?
বেশিরভার ইন্ডিকেটর ডিফল্ট আকারে আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়ারে দেওয়া থাকবে। তবে আপনি চাইলে এর বাইরেও অনেক ইন্ডিকেটর ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এক হাজারেরও বেশি ইন্ডিকেটর ডাউনলোড করুনঃ ফরেক্স ইন্ডিকেটর

নতুন ট্রেডারদের জন্য কিছু পরামর্শ
একটা জিনিস মনে রাখবেন- কখনো পুরোপুরি ইন্ডিকেটর নির্ভর হয়ে ট্রেড করা উচিত নয়। মার্কেটে অনেক ফ্রি কমার্শিয়াল ইন্ডিকেটর পাওয়া যায়। আপনি আপনার পছন্দ মত কিছু ইন্ডিকেটর বাছাই করুন। এগুলো ব্যবহার করবেন মার্কেটে প্রাইস আপ- ডাউন এর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ধারনার জন্য। কিন্তু এ ধারনার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাল করে ভেবে দেখতে হবে। আপনি যে সব স্ট্র্যাটেজি জানেন সেই অনুসারে অর্ডার করতে ইন্ডিকেটর আপনাকে সাহায্য করবে এবং আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। তবে প্রত্যেকটা ইনডিকেটর ব্যবহারের আগে সেটা ভালভাবে বুঝে নেবেন এবং ডেমো একাউন্টে প্র্যাকটিস করে ইন্ডিকেটর এর সাকসেস রেইট বুঝে নেবেন। আপনি যখন বুঝবেন ইনডিকেটরটি আপনাকে লাভ করতে সাহায্য করছে তখন আপনি লাইভ মার্কেটে তা এপ্লাই করবেন।
আজ আমরা ইন্ডিকেটর কি, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলাম। পরবর্তী পোস্টে কিছু জনপ্রিয় ইন্ডিকেটর এর ব্যবহার এবং তা থেকে বাই ও সেল এর সিগন্যাল বোঝার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নতুনরা হয়ত অনেক জবেই অ্যাপ্লিকেশন করছেন কিন্তু কোন রিপ্লাই পাচ্ছেননা । অনেকের প্রশ্ন কেন জব পাচ্ছেন না, এর অন্যতম কারণ কি হতে পারে, এর থেকে সফল হওয়ার উপায় ইত্যাদি। জানলে একটু অবাক হবেন, সমীক্ষায় গিয়ে দেখে গেছে, পুরাতনদের তুলনায় নতুনদের অনেক অনেক কাজ পাওয়ার হার বেশি। একজলকে দেখে নিই সম্ভাব্য কি কি কারণে আপনি মার্কেটপ্লেসে  কাজ পাচ্ছেন নাঃ

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস:



১। কাজ না পাওয়ার অন্যতম হলো —জব অ্যাপ্লিকেশন করার সময় কি কাজ করতে হবে তা সঠিকভাবে জেনে না নেওয়া।

২। জব ডিটেইল এ কিছু কিওয়ার্ড উল্লেখ করা থাকে যা আমরা সঠিকভাবে উত্তর না দিয়ে জব আপ্লিকেশন করি। যে কারনে ক্লায়েন্ট আর আপ্লিকেশনের উত্তর প্রদান করেন না।

৩। দেখা গেছে অনেকেই একই কভার লেটার বারবার কপি করে ব্যবহার করেন, যা নির্দিষ্ট জবের জন্য হয়তো অপ্রাসঙ্গিক। এবং জবের জন্য ক্লায়েন্টের নজর কাড়তে পারেনা।

৪। মাঝে মাঝে কিছু বায়ার জব ডিটেইলে বলে দেন আগের করা কোন কাজের স্যাম্পল কিংবা পোর্টফোলিও এটাচ করে দেয়ার জন্যে। সেক্ষেত্রে কভার লেটারের সাথে ফাইল এটাচ করে দিতে হয়। তবে অরিজিনাল ফাইল দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আর পোর্টফোলিও গুলো আগে থেকেই সাজিয়ে রাখুন। কারণ কাজ পাবার ক্ষেত্রে পোর্টফোলিও অনেক ভাল ভূমিকা রাখে।

৫। পোর্টপলিও- আপনার যদি ভালো প্রোটফোলিও থাকে তাহলে কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি । সবসময় আপনি যে প্রজেক্ট এর কাজ শেষ করবেন তারপর তা আপডেট করে নিন ।

৬। কাজের রেট কমিয়ে বিড করছেন?
আচ্ছা, ধরুন দোকানে গিয়েছেন মাম পানির বোতল কিনতে; দোকানদার দাম হাকলেন ১৫ টাকা। আরেক দোকানে গিয়ে দেখলেন সেটি ১০টাকা। আপনি আগে থেকেই জানেন মাম পানির বাজারদর ১৫টাকা। এখন কোয়ালিটির কথা চিন্তা করলে কোনটি কিনবেন?

৭। কাভার লেটার লেখার সময় অনেকে বানানের প্রতি খেয়াল রাখেন না। এটি কাজ না পাওয়ার অন্যতম আর একটি কারণ।
উপরুক্ত বিষয় গুলো যদি মাথায় রেখে কাজ করেন তাহলে হয়তো খুব সহজেই আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠবেন।

বিভিন্ন অ্যাপ স্টোরে বর্তমানে প্রায় দুই মিলিয়ন এর উপর অ্যাপ রয়েছে, এত এত মোবাইল অ্যাপস এর মাঝে সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট অ্যাপটি খুজে পাওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে গেছে। যেকোন মোবাইল অ্যাপ (যেমন, আইফোন, আইপ্যাড, অ্যান্ড্রয়েড অথবা উইন্ডোজ ফোন অ্যাপ) এর ভিজিবিলিটি বাড়ানোর জন্যে অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশন এর সমন্নিত প্রক্রিয়াগুলো ব্যবহার করা হয় যা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের সাথে অনেকখানিই সম্পর্কিত।
স্পেসিফিক করে বলতে গেলে অ্যাপ স্টোরে একটি অ্যাপকে সার্চ রেজাল্টে প্রথম দিকে কিংবা টপ সার্চ র‍্যাংকিং লিস্টে নিয়ে আসার জন্যে প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়। যে অ্যাপটির র্যাংকিং যত ভাল থাকে সেটি বিক্রয় কিংবা ডাওনলোড হবার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যায়। তাই মোবাইল অ্যাপ পাবলিশারদের কাছেও বর্তমানে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি মার্কেটারদের জন্যে খুলে যাচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন জগতে নতুন একটি দিগন্ত। অ্যাপ মার্কেটিং এর বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে যার সমন্নিত প্রক্রিয়ার নামই হল অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশন, তাদের মধ্যে যেগুলো সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় তেমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক আজ শেয়ার করবো।


অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশনের উদ্দেশ্য:

  • ব্যবহারকারীরা যেন সহজেই অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি খুজে পায়, কারণ অ্যাপ স্টোরের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করেই ৭০% ইউজাররা প্রয়োজনীয় অ্যাপটি খুজে বের করেন।
  • প্রতিযোগীদের তুলনায় নিজেদের র্যাংকিং বাড়ানোর জন্যে
  • নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের জন্যে র্যাংকিং বাড়ানো
  • গুগলের সিম্যান্টিক সার্চে র্যাংকিং এ আসা

অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ফরেস্টার এর অনলাইন জরিপ অনুযায়ী, ৬৩% ব্যবহারকারী অ্যাপ স্টোরের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমেই তাদের প্রয়োজন মত নতুন অ্যাপ খুজে বের করেন। অ্যাঙ্কিট জেইন নামে একজন ডেভেলপার গুগল আই/ও তে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন “গুগল অ্যাপস্টোর থেকে বেশিরভাগ অ্যাপ সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টে খুজে পাওয়ার উপর নির্ভর করেই ব্যাপক হারে ডাওনলোড করা হয়” তারমানে মোবাইল অ্যাপ পাবলিশাররা অ্যাপসের সার্চ রেংকিং বাড়ানোর জন্যে যদি ASO ব্যবহার করে না থাকেন তবে তাদের অ্যাপটি জনপ্রিয় করার জন্যে সবচেয়ে বড় মাধ্যমগুলোর একটি মিস করছেন।

কিছুদিন আগেও বেশিরভাগ পাবলিশাররাই অ্যাপ স্টোর অপ্টিমাইজেশনে আগ্রহী ছিলেন না। প্রতিটি অ্যাপ স্টোরের শত হাজার অ্যাপ এর মাঝে একটি অ্যাপ এর সাথে আরেকটির প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময় লেগেই আছে এবং দিন দিন সেটা বাড়ার সাথে সাথে অ্যাপ পাবলিশাররা অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশনের দিকে ঝুকছেন। কারণ অ্যাপের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্যে “অ্যাপ স্টোর অপ্টিমাইজেশন” একটি সিক্রেট ওয়েপন।


অ্যাপ স্টোর অপ্টিমাইজেশনের মেকানিক্স:

অ্যাপ স্টোর অপ্টিমাইজেশনের গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর গুলোকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়

১. প্রধান ফ্যাক্টর:

  • শিরোনাম – অ্যাপসের শিরোনামে যে কিওয়ার্ডটি বসানো হয় সেটিই হতে পারে সার্চ ট্রাফিকের অন্যতম উৎস। কিওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চের উপর কিছু সময় ব্যয় করুন, যাতে শিরোনাম বারবার পাল্টানোর প্রয়োজন না পরে। কারণ বিভিন্ন কি-ওয়ার্ড নিয়ে বারবার শিরোনাম পাল্টানোর কারণে এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। অ্যাপটি যখন পরিচিতি পেতে শুরু করবে তার সাথে সাথে এটি অনেক রিভিউ পাবার পাশাপাশি এর খবর মুখে মুখে ছড়িয়ে যাবে। বারবার শিরোনাম বদলানো হলে এই প্রক্রিয়াতে বাধা পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
  • কি-ওয়ার্ড– টার্গেট ইউজাররা কোন কি-ওয়ার্ড গুলো সচরাচর ব্যবহার করে সেগুলো খুজে বের করে ব্যবহার করলে, সেগুলো সার্চ র্যাঙ্কিং বাড়াতে এবং প্রতিদ্বন্দীদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে অনেক বেশি সহায়তা করে থাকে। এতে করে প্রতি সপ্তাহান্তে তুলনামূলক উন্নতিটাও বুঝা সহজ হয়।
যেহেতু টাইটেল এবং কিওয়ার্ড চাইলেই আপনার ইচ্ছেমত খুব সহজেই পরিবর্তন করতে পারছেন তার মানে সহজেই সেগুলো অপটিমাইজ করা যাচ্ছে, অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি।

২. সেকেন্ডারি ফ্যাক্টর:

  • ডাওনলোড– অ্যাপগুলো মোট কতবার ডাওনলোড হয়েছে সেটি অ্যাপ স্টোর অপটিমাজেশনের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে দুঃখ্যের বিষয় হল এখানে একজন অপটিমাইজারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে।
  • রেটিং এবং রিভিও– খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং নিয়ন্ত্রন করা খুব কঠিন। তবে ব্যবহারকারীদেরকে খুশি করে ভাল রেটিং পাবার বেশ কিছু উপায় রয়েছে।
আজ এ পর্যন্তই, পরবর্তীতে টাইটেলে কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার, সার্চ রেজাল্টে রেটিং র্যাংক ও ডাওনলোডের হার এর প্রভাব এবং অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশনের কিছু টিপস নিয়ে লিখবো।



ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস.ই.ও.) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমাণ ভিজিটর পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার ব্লগের সঠিকভাবে এই.ই.ও. এর কাজ করতে হবে। আমরা সবাই জানি যে, ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী, তাই খুব সহজেই কিছু কার্যকরী পন্থা অবলম্বন করে আমরা আমদের ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক ভিজিটর পেতে পারি। এস.ই.ও. এর কাজ সঠিকভাবে করার জন্য আপনাকে অন-পেজ ও অফ-পেজ দুটোই ভালোভাবে করতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে অন-পেজ ও অফ-পেজ এস.ই.ও. করার জন্য আপনি কিছু প্লাগিন্স ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার ব্লগকে আরো বেশী এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী করবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের এস.ই.ও. এর জন্য সেরা ৫টি প্লাগিন্স।

১. ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট (WordPress SEO by Yoast)

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের এস.ই.ও. এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি প্লাগিন। লক্ষ লক্ষ ওয়েবমাষ্টাররা তাদের ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ/সাইট অপ্টিমাইজ করার জন্য এই প্লাগিনটা ব্যবহার করে থাকেন। আপনি খুব সহজেই এই প্লাগিনটার সাহায্যে আপনার ব্লগের প্রায় সব ধরনের অন-পেজ এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও অফ-পেজ এস.ই.ও. এর জন্য এই প্লাগিনটা অনেক উপকারী।


WordPress SEO by Yoast

 

ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট ব্যবহার করার কিছু সুবিধা

  • প্রতিটা পোষ্ট ও পেজ এর আলাদা আলাদা মেটা ডিসক্রিপশান ও মেটা কিওয়ার্ডস
  • ফোকাসিং কিওয়ার্ডস ঠিক করে দেওয়া
  • এক্স.এম.এল. সাইটম্যাপ
  • সোশ্যাল ইন্ট্রিগেশন
  • পেজ অ্যানালাইটিকস
  • কিওয়ার্ড অ্যানালাইসিস
  • আর.এস.এস অপ্টিমাইজেশন
  • রোবট টেক্সট ফাইল তৈরী করা ও সম্পাদন করা
  • গুগল, বিং, ইয়ান্ডেক্স, এলেক্সা ও পিন্টারেস্ট ভেরিফাই করা সহ আরো অনেক সুবিধা।
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

২. এস.ই.ও. প্রেসর (SEOPressor)

এস.ই.ও. প্রেসর হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. প্লাগিন। এই প্লাগিনে অনেকগুলো ফিচার রয়েছে যা খুব সহজেই আপনার ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক করাতে সাহায্য করবে। অন-পেজ এস.ই.ও. হচ্ছে এস.ই.ও. এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা আপনি এই প্লাগিনের সাহায্যে খুব সহজেই করতে পারবেন। এই প্লাগিনেই সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের প্রতেকটা কন্টেন্ট এর এস.ই.ও. এর স্কোর বাড়াতে পারবনে।

এস.ই.ও. প্রেসর এর কিছু ফিচার

  • অন-পেজ এস.ই.ও. সুবিধা
  • এডভান্স অফ-পেজ এস.ই.ও. ফিচার
  • কিওয়ার্ড এনালাইসিস, কিওয়ার্ড সাজেশন ও কিওয়ার্ড ডেনসিটি নির্নয়
  • সোশ্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ডলী
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন
  • স্মার্ট লিঙ্কিং
  • রিচ স্নাইপেট সাপোর্টেড
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৩. অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক (All in One SEO Pack)

অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক হচ্ছে আরেকটি ফ্রি এস.ই.ও. প্লাগিন যা আপনি নিশ্চিন্তে আপনার ব্লগে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্লাগিনটি সয়ংক্রিয় ভাবে আপনার ব্লগের প্রাথমিক এস.ই.ও. অপটিমাইজেশন এর কাজ করে দিবে। এছাড়াও এই প্লাগিনটার আরো অনেক ফিচার রয়েছে যা আপনার ব্লগকে এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী করতে সাহায্য করবে।



All in One SEO Pack

 

অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক এর কিছু ফিচার

  • গুগল অ্যানালাইটিক্স সাপোর্টেড
  • এক্স.এম.এল. সাইটম্যাপ
  • প্রত্যেকটা পেজ এবং পোষ্ট এর জন্য পৃথক পৃথক টাইটেল, মেটা ডিসক্রিপশান ও মেটা কিওয়ার্ডস
  • সোশ্যাল অপটিমাইজড
  • ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট খুঁজে বের করা সহ আরো অনেক ফিচার
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৪. এস.ই.ও. আল্টিমেট (SEO Ultimate)

এস.ই.ও. আল্টিমেট আরেকটি জনপ্রিয় ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. প্লাগিন যা আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি খুব সহজেই এই প্লাগিনের সাহায্যে আপনার ব্লগের এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারেন যা আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাঙ্ক পেতে সাহায্য করবে।



SEO Ultimate

 

এস.ই.ও. আল্টিমেট এর ফিচার সমূহ

  • টাইটেল ট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশান ও মেটা কীওয়ার্ডস
  • নো-ইন্ডেক্স ফিচার
  • ওপেন-গ্রাফ সাপোর্টেড
  • স্লাগ ফিচার
  • কনিকাল ইউ.আর.এল. ফিচার
  • অটো লিঙ্কিং
  • এস.ই.ও. উইডজেট
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৫. এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি (SEO Plugin by SQUIRRLY)

এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি ও আরেকটি জনপ্রিয় এস.ই.ও. প্লাগিন যা মূলত আপনাকে এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লিখতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই প্লাগিনের সাহায্যে আপনি সব ধরনের অন-পেজ এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারবেন।


SEO Plugin by SQUIRRLY

 

এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি কিছু ফিচার

  • কীওয়ার্ড ও কন্টেন্ট এনালাইসিস
  • ফ্রি ইমেজ ফিচার
  • মেটা ডেসক্রিপশান ও মেটা কীওয়ার্ড অপশন
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন
  • ডাউনলোড লিঙ্ক



Keyboard Shortcuts - Windows/Linux

N.B: This topic is a draft and may contain wrong information.


Editing

KeypressCommand
Ctrl + XCut line
Ctrl + ↩Insert line after
Ctrl + ⇧ + ↩Insert line before
Ctrl + ⇧ + ↑Move line/selection up
Ctrl + ⇧ + ↓Move line/selection down
Ctrl + LSelect line - Repeat to select next lines
Ctrl + DSelect word - Repeat select others occurrences
Ctrl + MJump to closing parentheses Repeat to jump to opening parentheses
Ctrl + ⇧ + MSelect all contents of the current parentheses
Ctrl + ⇧ + KDelete Line
Ctrl + KKDelete from cursor to end of line
Ctrl + K + ⌫Delete from cursor to start of line
Ctrl + ]Indent current line(s)
Ctrl + [Un-indent current line(s)
Ctrl + ⇧ + DDuplicate line(s)
Ctrl + JJoin line below to the end of the current line
Ctrl + /Comment/un-comment current line
Ctrl + ⇧ + /Block comment current selection
Ctrl + YRedo, or repeat last keyboard shortcut command
Ctrl + ⇧ + VPaste and indent correctly
Ctrl + SpaceSelect next auto-complete suggestion
Ctrl + Usoft undo; jumps to your last change before undoing change when repeated
Alt + ⇧ + WWrap Selection in html tag
Alt + .Close current html tag
Alt + qHard wrap line to ruler column setting

Windows

Ctrl + Alt + UpColumn selection up
Ctrl + Alt + DownColumn selection down

Linux

Alt + ⇧ + UpColumn selection up
Alt + ⇧ + DownColumn selection down

General

KeypressCommand
Ctrl + ⇧ + PCommand prompt
Ctrl + KBToggle side bar
Ctrl + ⇧ + Alt + PShow scope in status bar

Find/Replace

KeypressCommand
Ctrl + FFind
Ctrl + HReplace
Ctrl + ⇧ + FFind in files

Tabs

Split window

KeypressCommand
Alt + ⇧ + 1Revert view to single column
Alt + ⇧ + 2Split view into two columns
Alt + ⇧ + 3Split view into three columns
Alt + ⇧ + 4Split view into four columns
Alt + ⇧ + 5Set view to grid (4 groups)
Alt + ⇧ + 8Split view into two rows
Ctrl + [NUM]Jump to group where num is 1-4
Ctrl + ⇧ + [NUM]Move file to specified group where num is 1-4

Bookmarks

KeypressCommand
Ctrl + F2Toggle bookmark
F2Next bookmark
⇧ + F2Previous bookmark
Ctrl + ⇧ + F2Clear bookmarks

Text manipulation

KeypressCommand
Ctrl + KUTransform to Uppercase
Ctrl + KLTransform to Lowercase
KeypressCommand
⌘ + XCut line
⌘ + ↩Insert line after
⌘ + ⇧ + ↩Insert line before
⌘ + ⌃ + ↑Move line/selection up
⌘ + ⌃ + ↓Move line/selection down
⌘ + LSelect line - Repeat to select next lines
⌘ + DSelect word - Repeat to select next occurrence
⌃ + ⌘ + GSelect all occurrences of current selection
⌃ + ⇧ + ↑Extra cursor on the line above
⌃ + ⇧ + ↓Extra cursor on the line below
⌃ + MJump to closing parentheses Repeat to jump to opening parentheses
⌃ + ⇧ + MSelect all contents of the current parentheses
⌃ + AMove to beginning of line
⌘ + LeftMove to beginning of text on line
⌃ + E, ⌘ + RightMove to end of line
⌘ + K, ⌘ + KDelete from cursor to end of line
⌘ + K + ⌫Delete from cursor to start of line
⌘ + ]Indent current line(s)
⌘ + [Un-indent current line(s)
⌘ + ⇧ + DDuplicate line(s)
⌘ + JJoin line below to the end of the current line
⌘ + /Comment/un-comment current line
⌘ + ⌥ + /Block comment current selection
⌘ + YRedo, or repeat last keyboard shortcut command
⌘ + ⇧ + VPaste and indent correctly
⌃ + SpaceSelect next auto-complete suggestion
⌃ + USoft undo; jumps to your last change before undoing change when repeated
⌃ + ⇧ + UpColumn selection up
⌃ + ⇧ + DownColumn selection down
⌃ + ⇧ + WWrap Selection in html tag
⌃ + ⇧ + KDelete current line of cursor

General

KeypressCommand
⌘ + ⇧ + PCommand Palette
⌃ + `Python Console
⌃ + ⌘ + FToggle fullscreen mode
⌃ + ⇧ + ⌘ + FToggle distraction-free mode
⌘ + K, ⌘ + BToggle side bar
⌃ + ⇧ + PShow scope in status bar

Find/Replace

KeypressCommand
⌘ + FFind
⌘ + ⌥ + FReplace
⌘ + ⇧ + FFind in files
⌘ + IIncremental Find

Scrolling

KeypressCommand
⌃ + VScroll down one page
⌃ + LCenter current line vertically in page
⌘ + DownScroll to end of file
⌘ + UpScroll to start of file

Tabs

KeypressCommand
⌘ + ⇧ + tOpen last closed tab
⌘ + [NUM]Jump to tab in current group where num is 1-9
⌘ + 0Jump to 10th tab in current group
⌘ + ⇧ + [Cycle left through tabs
⌘ + ⇧ + ]Cycle right through tabs
^ + TabCycle up through recent tabs
⇧ + ^ + TabCycle down through recent tabs
Find in files

Split window

KeypressCommand
⌘ + ⌥ + 1Revert view to single column
⌘ + ⌥ + 2Split view into two columns
⌘ + ⌥ + 3Split view into three columns
⌘ + ⌥ + 4Split view into four columns
⌘ + ⌥ + 5Set view to grid (4 groups)
⌃ + [NUM]Jump to group where num is 1-4
⌃ + ⇧ + [NUM]Move file to specified group where num is 1-4

Bookmarks

KeypressCommand
⌘ + F2Toggle bookmark
F2Next bookmark
⇧ + F2Previous bookmark
⇧ + ⌘ + F2Clear bookmarks

Text manipulation

KeypressCommand
⌘ + K, ⌘ + UTransform to Uppercase
⌘ + K, ⌘ + LTransform to Lowercase
⌘ + ⌃ + up, ⌘ + ⌃ + downClip text upwards / downwards

Glossary

buffer
Data of a loaded file and additional metadata, associated with one or more views. The distinction between buffer and view is technical. Most of the time, both terms can be used interchangeably.
view
Graphical display of a buffer. Multiple views can show the same buffer.
plugin
A feature implemented in Python, which can consist of a single command or multiple commands. It can be contained in one .py file or many .py files.
package
This term is ambiguous in the context of Sublime Text, because it can refer to a Python package (unlikely), a folder inside Packages or a .sublime-package file. Most of the time, it means a folder inside Packages containing resources that belong together, which build a new feature or provide support for a programming or markup language.
panel
An input/output widget, such as a search panel or the output panel.
overlay
An input widget of a special kind. For example, Goto Anything is an overlay.
file type
In the context of Sublime Text, file type refers to the type of file as determined by the applicable .tmLanguage syntax definition.
However, this is an ambiguous term, and in some instances it could also be used with the broader meaning it has in technical texts.

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget